চট্টগ্রাম বন্দর

ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রতিবাদ কর্মসূচির চাপে ব্যাহত রফতানি কার্যক্রম

চট্টগ্রাম বন্দরের ৪১ শতাংশ মাশুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে ব্যবসায়ী ও সংগঠনগুলোর বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হয়েছে রফতানি কার্যক্রম।

চট্টগ্রাম বন্দরের ৪১ শতাংশ মাশুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে ব্যবসায়ী ও সংগঠনগুলোর বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হয়েছে রফতানি কার্যক্রম। চট্টগ্রামের বেসরকারি ডিপোগুলোয় গতকালও ৮ হাজার ৮৪৩ একক কনটেইনার রফতানি পণ্য পড়ে ছিল। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এ সংখ্যা কিছুটা বেশি।

বেসরকারি ডিপো মালিক সমিতির মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার বণিক বার্তাকে বলেন, ‘কর্মসূচি প্রত্যাহার করায় এখন পুরোদমে রফতানি কার্যক্রম চলছে। এ চাপ কমে আসতে কয়েকদিন সময় লাগবে।’

এদিকে মাশুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা সপ্তাহব্যাপী কর্মবিরতি কর্মসূচি গতকাল স্থগিত করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘শ্রমিক কর্মচারীদের সেবা নেয়ার খাতগুলোয় বর্ধিত মাশুল প্রত্যাহার করে নেয়া হবে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ আমাদের আশ্বাস দিয়েছে। এ কারণেই কর্মসূচি স্থগিত করেছি।’

ব্যবসায়ীদের আপত্তি উপেক্ষা করে গত ১৪ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন মাশুলের গেজেট প্রকাশ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর করা হয়।

আরও